বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে কারখানা নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করা হয়। এ সময় নদীর বর্তমান নাব্যতা, নৌযান চলাচলের পরিস্থিতি এবং সেতুর প্রয়োজনীয় উচ্চতা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিয়া এমদাদ আলী জানান, প্রায় তিন থেকে চার বছর আগে কারখানা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে চীনা কোম্পানির মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, কারখানা নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ হলে বাকেরগঞ্জের পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন দুর্গাপাশা ও ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী বাউফল, ভোলা, পটুয়াখালী ও দশমিনা এলাকার মানুষের চলাচল সহজ হবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় শহর বরিশাল ও রাজধানী ঢাকার সঙ্গে এসব এলাকার যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে।
এলাকাবাসীর মতে, সেতুটি নির্মাণ হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি ও স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বিভিন্ন বাজারে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।
স্থানীয়রা আরও জানান, বাকেরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের সহযোগিতায় কারখানা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়িত হয়ে এর পূর্ণাঙ্গ রূপ দেখতে চান তারা।
সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা ও উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাকেরগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী হাসনাইন আহমেদ, ৬ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম খান, সহসভাপতি আলহাজ গোলাম মোস্তফা সিকদার, সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ কবির সন্ন্যামত, সাধারণ সম্পাদক মীর মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম টিটু মল্লিক, ইউনিয়ন বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক তাহের খান, ইউনিয়ন যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমানসহ কবাই ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...