বিজ্ঞাপন
ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
সিইসি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। অব্যবহৃত ব্যালট ছিল ছয়টি। বিভিন্ন ত্রুটির কারণে আইনের বিধান অনুসরণ করে চারটি ব্যালট রিপ্লেস করা হয়। শেষ পর্যন্ত বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২৫৫ এবং অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয় দুপুর ২টায় এবং চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালটের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রথম ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরা ভোট দেন।
ফল ঘোষণার পর সংসদ ভবনেই নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিরোধীদলীয় নেতাসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তাঁকে অভিনন্দন জানান।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছর সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এরপর টানা কয়েকজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...