বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক, পুলিশ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। এ সময় তিনি অফিসের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং জমি গ্রহীতা মো. জাকির হোসেনের সঙ্গে কথা বলেন।
জাকির হোসেন জানান, তিনি ৩ লাখ টাকায় একটি জমি কিনেছেন। জমিটি রেজিস্ট্রি করার জন্য দলিল লেখক মো. আলকাজ হোসেনকে খরচ বাবদ মোট ৩৬ হাজার টাকা দিয়েছেন।
এ সময় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ৩ লাখ টাকার জমির জন্য ৩৬ হাজার টাকা নেওয়া সরকারি নির্ধারিত রেজিস্ট্রি খরচের তুলনায় বেশি। বিষয়টি নিয়ে তিনি সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চান। তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে দলিল লেখক মো. আলকাজ হোসেন বলেন, ‘দলিল খরচ বাবদ আমি ৩০ হাজার টাকা নিয়েছি। বাকি ৬ হাজার টাকা জাকির হোসেন বাইরে থেকে দাখিলা সংগ্রহ করতে খরচ করেছেন।’ এ বিষয়ে রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রার (খণ্ডকালীন) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘দলিল লেখক আলকাজ হোসেনকে শোকজ করে জবাব চাওয়া হয়েছে।’
সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাচ্ছিলাম। বিশেষ করে ছোট জমিদাতা ও গ্রহীতাদের কাছ থেকে এ ধরনের অভিযোগ বেশি আসছিল। তাই বিষয়টি সরাসরি দেখতে অফিসে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দলিল গ্রহীতার কাছ থেকেও দলিল লেখার নামে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে হবে।’
প্রয়োজনে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম তদারকির জন্য দলীয়ভাবে একটি টিম গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল হক নান্টু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুম বিল্লাহ পারভেজ, সদস্যসচিব সৈয়দ নাজমুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বাবু রতন দেবনাথ, সদস্যসচিব মো. রিয়াজ হোসেন খানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...