বিজ্ঞাপন
তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মেরিটাইম হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. নিয়ামত এলাহির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষা কার্যক্রম ও চট্টগ্রামের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের সার্বিক অগ্রগতি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিশেষায়িত এই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাঠামোগত বিষয় এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণার মানোন্নয়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণের খোঁজখবর নেন এবং ব্লু ইকোনমি খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে তাদের বিশ্বমানের পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সুবিশাল সমুদ্রসীমা বিজয়ের পর দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই বিশাল সামুদ্রিক সম্পদ ও অপার সম্ভাবনাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে বিশেষায়িত জ্ঞান ও গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, মেরিটাইম সেক্টরের শিক্ষা ও গবেষণার মান আধুনিকায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। দক্ষ নৌ-প্রকৌশলী, সমুদ্রবিজ্ঞানী ও মেরিটাইম বিশেষজ্ঞ তৈরি করে দেশের অর্থনীতিকে টেকসই রূপ দিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৈঠকে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি দল আশা প্রকাশ করে যে, স্থায়ী ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত সম্পন্ন হলে শিক্ষা ও আধুনিক গবেষণার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে, যা দেশের মেরিটাইম খাতকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...