বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় প্রায় তিন হাজার নিবন্ধিত রিকশা চলাচল করে থাকে। তবে দুঃখজনকভাবে গত তিন বছর ধরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। ইতোমধ্যে এক হাজারেরও বেশি রিকশার মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্ধারিত নবায়ন ফি জমা দিলেও এখন পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়নি। পাশাপাশি অবশিষ্ট মালিকদের কাছ থেকেও কোনো ধরনের নবায়ন ফি গ্রহণ করছে না পৌর কর্তৃপক্ষ, যার ফলে সাধারণ মালিক ও শ্রমিকেরা চরম অর্থনৈতিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বৈধ লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ থাকার সুযোগে পৌর এলাকায় অবাধে ব্যাটারিচালিত ও অননুমোদিত অবৈধ রিকশার দাপট বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে যানজট পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। একই সঙ্গে বৈধ কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় রাস্তায় বের হলেই ট্রাফিক পুলিশের অহেতুক নানা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে প্রান্তিক রিকশাচালকদের। অবিলম্বে নবায়ন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করে সকল প্রকৃত মালিককে বৈধতার আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।
এ প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সর্বশেষ প্রায় তিন হাজার রিকশার লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিভিন্ন শ্রমিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নানামুখী আপত্তির কারণে নতুন লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়ে। তবে শহরের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খুব দ্রুতই অননুমোদিত রিকশা ও অটোরিকশার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলমাস উদ্দিন হেলাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুন মিয়া, সহ-সভাপতি রাফিস চৌধুরী, সহ-সভাপতি জসিম মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসাক মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল মিয়া এবং প্রচার সম্পাদক বায়েজিদ মিয়াসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...