বিজ্ঞাপন
উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকার সড়কের পাশে গ্রামবাসীদের জড়ো করে এ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুনা বৈদ্য ও পিন্টু তালুকদার। তাঁরা জানান, সরকার পুরোনো সব কৃষিকার্ড বাতিল করে নতুন করে কৃষিকার্ড প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী কৃষকদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। নলুয়া গ্রামে এ কর্মসূচির আওতায় ১৩৫টি খানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার দুপুর পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ২০ জন কৃষকের নাম নিবন্ধন করা হয়। এ সময় নিবন্ধনের জন্য সেখানে আরও অর্ধশতাধিক কৃষক অপেক্ষমাণ ছিলেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, নতুন কৃষিকার্ড পেতে হলে কৃষকদের প্রথমে তালিকাভুক্ত হতে হবে। নিবন্ধনের জন্য কৃষক দম্পতিকে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।
নলুয়া গ্রামের রবীন হালদার (৫১) জানান, তাঁর দেড় বিঘা জমি রয়েছে। তিনি নিজেই নিজের জমিতে ফসল উৎপাদন করেন। এবারই প্রথম কৃষিকার্ড পাওয়ার আশায় নিবন্ধন করতে এসেছেন।
একই গ্রামের শ্যামল হালদার (৫২) তিন বিঘা জমির মালিক। তিনি জানান, অন্য একজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে কৃষিকার্ডের জন্য নিবন্ধন করতে এসেছেন। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে নিবন্ধন করা হলে কৃষিকার্ড বিতরণ কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হতো বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলাবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রমেন্দ্রনাথ মন্ডলের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। কৃষিকার্ড প্রদানের লক্ষ্যে নলুয়া গ্রামে নিবন্ধন কার্যক্রম চলাকালে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এ ছাড়া তাঁর মুঠোফোনে বারবার কল করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...