বিজ্ঞাপন
খিদিরপুর এলাকায় শিক্ষার প্রসার এবং নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু করেন প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন খোকা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি আজ নরসিংদী জেলার একটি পরিচিত ও সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
দুই দশকের দীর্ঘ পথচলায় স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। সময়ের পরিক্রমায় প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে EIIN-১৪০৭১৪ নম্বর অর্জন করেছে। পাশাপাশি পরিবর্তন এসেছে প্রতিষ্ঠানের নাম ও পরিচিতিতেও। তবে শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার মূল লক্ষ্য ও আদর্শ আজও অটুট রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. এমরুল ইসলাম। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ ১২ বছরের আত্মিক সম্পর্ক। দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত ও আনন্দিত মনে করেন।
এ উপলক্ষে তিনি প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন খোকাসহ প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মো. এমরুল ইসলাম বলেন, যে মহৎ উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেই লক্ষ্য ও আদর্শকে ধারণ করে আগামী দিনগুলোতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আলোকিত মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
দুই দশকের এই অর্জন কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; বরং খিদিরপুর এলাকার শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায়। দীর্ঘ ২০ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় যে অবদান রেখেছে, তা আগামী প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রতিষ্ঠানের সুনাম, ঐতিহ্য ও শিক্ষার মান অক্ষুণ্ন রেখে জাকির হোসেন আদর্শ বিদ্যানিকেতন আগামী দিনগুলোতে সাফল্যের নতুন নতুন মাইলফলক অর্জন করবে।
গৌরবের ২০ বছর পূর্তিতে জাকির হোসেন আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...