Logo Logo

ফায়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে বিলম্বে পৌঁছানোর অভিযোগ

ডোমারের মাঝাপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৭টি ঘর পুড়ে ছাই


Splash Image

নীলফামারীর ডোমারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে ৭টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের চরম উদাসীনতা ও দেরিতে পৌঁছানোর অভিযোগ তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।


বিজ্ঞাপন


গতকাল মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের আজানের ঠিক আগমুহূর্তে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শর্টসার্কিট হয়। সেখান থেকে মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে কল করা হলেও তারা নির্ধারিত সময়ের দীর্ঘক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর পানির মেশিন চালু করতেও বেশ কিছু সময় লেগে যায়। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে প্রায় আধা ঘণ্টা বিলম্ব হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—মাঝাপাড়ার মৃত কামরুল হুদার ছেলে মো. রাবেল ও মো. রুবেল, নুরল হুদার ছেলে লিটন ও লিজু এবং সামছুল হুদার ছেলে জুয়েল।

ক্ষতিগ্রস্ত রুনা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস যখন এসে পৌঁছায়, তখনো একটি ঘরে আগুন জ্বলছিল। কিন্তু তাদের মেশিন চালু করতে দেরি হওয়ায় চোখের পলকে আমাদের বাকি সব ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তাদের এই ধীরগতির কারণেই আমরা আজ সর্বস্বান্ত।’

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত রাবেল আহমেদ জানান, ‘আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা একদম নিঃস্ব হয়ে গেলাম। ফায়ার সার্ভিস সময়মতো এলে হয়তো এত বড় ক্ষতি হতো না।’

স্থানীয় বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘এর আগেও ডোমারের অন্য একটি স্থানে আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মেশিনে এ ধরনের কারিগরি ত্রুটির খবর শোনা গিয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের এমন উদাসীনতার কারণে সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব হতে হচ্ছে।’

তবে ডোমার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মুক্তি মাহমুদ জানান, ‘খারাপ রাস্তার কারণে কিছুটা সময় বিলম্ব হয়েছে, তবে সেটি খুব সামান্যই।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...