Logo Logo

সাফে বাংলাদেশের অধিনায়ক তপু বর্মণ


Splash Image

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ মানেই সংবাদ সম্মেলনে অবধারিত মুখ ছিলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও শুরুর একাদশে তার অনিয়মিত উপস্থিতি জন্ম দিয়েছিল নানা জল্পনা-কল্পনার। সেই ধারাবাহিকতায় আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী সংবাদ সম্মেলনে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। প্রধান কোচ থমাস ডুলির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে হাজির হন দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। সাফের মিডিয়া ম্যানেজার জিগমে দর্জি এ সময় তপুকে আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়ক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।


বিজ্ঞাপন


বিগত প্রায় এক দশক ধরে জাতীয় দলের অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড নিয়মিত সামলেছেন জামাল ভূঁইয়া। তার চোট কিংবা অনুপস্থিতিতে অতীতে সোহেল রানা কিংবা তপু বর্মণ দায়িত্ব পালন করলেও এবার সাফের মূল আসরে কার কাঁধে থাকছে দীর্ঘমেয়াদী নেতৃত্বের দায়িত্ব, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি কোচ ডুলি। একাধিকবার প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, দলে অধিনায়কত্ব করার মতো অন্তত তিনজন খেলোয়াড় রয়েছেন এবং তপু আগেও এ দায়িত্ব সামলেছেন। পরবর্তীতে দলের মিডিয়া ম্যানেজার আমের খান নিশ্চিত করেন, টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষেই কেবল তপু বর্মণ অধিনায়ক হিসেবে দলকে মাঠে নেতৃত্ব দেবেন।

পরবর্তী ম্যাচগুলোতে অধিনায়ক বদল হবে কি না—এমন প্রশ্নে কোচ ডুলি জানান, আধুনিক ফুটবলে অধিনায়কত্ব নিয়ে অতিমাত্রায় আলোচনার কিছু নেই। তার কৌশল অনুযায়ী পরিস্থিতি ও ম্যাচ বিবেচনায় ভিন্ন ভিন্ন খেলোয়াড় নেতৃত্ব দিতে পারেন। ২০১৮ সালের পর আবারও ঘরের মাঠে সাফ আয়োজিত হওয়ায় দারুণ উচ্ছ্বসিত ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তপু বর্মণ। ২০০৩ সালে ঢাকায় একমাত্র সাফ শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তপু প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়ে এবার ঘরের চেনা মাঠে ট্রফি নিজেদের করে নিতে দল পুরোপুরি প্রস্তুত।

ভুটানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ পাচ্ছে না তাদের অন্যতম বড় শক্তি ও তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে। আন্তর্জাতিক ফিফা উইন্ডো দেরিতে শুরু হওয়ায় প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়া না গেলেও শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগেই ঢাকায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তপু জানান, প্রথম ম্যাচে হামজাকে দল মিস করলেও একটি ইতিবাচক ও দাপুটে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে চান তারা, যেন হামজা যোগ দেওয়ার পর দল আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

সম্প্রতি এশিয়ান প্রতিপক্ষ বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের ক্ষত এখনো তাজা দলের ওপর। সান মারিনোর বিপক্ষে অভিষেক হওয়া কোচ থমাস ডুলির সামনে এবার ঘরের মাঠে নিজেকে প্রমাণ করার অগ্নিপরীক্ষা। আসিয়ান অঞ্চলের হারের সাথে সাফের প্রেক্ষাপট মেলাতে নারাজ কোচ। তার মতে, শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে যেকোনো ফল হতে পারে, তবে সাফের বাস্তবতায় বাংলাদেশের ভালো করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রত্যাশার চাপকে ফুটবলের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে ইতিবাচক শুরুর অপেক্ষায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...