বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির অভিজাত তালিকায় নাম লেখালেন ২৫ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটার। এর আগে লাল বলের ক্রিকেটে দেশের হয়ে ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন কেবল মুশফিকুর রহিম (তিনটি), সাকিব আল হাসান (একটি) এবং তামিম ইকবাল (একটি)। হৃদয় সেই কিংবদন্তিদের তালিকায় যুক্ত হয়ে নিজের জাত চেনালেন। একই সঙ্গে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসেই সর্বোচ্চ রানের আগের রেকর্ডটিও ভেঙে দিলেন তিনি। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরিতে মুমিনুল হকের করা ১৮১ রানের ইনিংসটিই ছিল এতদিন সর্বোচ্চ, যা আজ নতুন করে লিখলেন হৃদয়।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটেও লেখা হলো নতুন এক ইতিহাস। এই ভেন্যুতে এর আগে কোনো ব্যাটার টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি পাননি। ভেন্যুটিতে সর্বোচ্চ ইনিংসের আগের রেকর্ড ছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ এবং শ্রীলঙ্কান ব্যাটার কামিন্দু মেন্ডিসের ১৬৪ রান। সবাইকে ছাপিয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সিলেটে দ্বিশতকের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন হৃদয়। পাশাপাশি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের ব্যক্তিগত ১৫০ রানের যে অচলায়তন ছিল, সেটিও তিনি ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন।
৩০৪ বলের ধৈর্যশীল ও আক্রমণাত্মক সংমিশ্রণে গড়া এই ইনিংসে হৃদয় হাঁকিয়েছেন ১৯টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কা। ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে লোয়ার অর্ডারে তাইজুল ইসলামকে সঙ্গী করে গড়ে তোলেন প্রতিরোধ। অষ্টম উইকেটে তাদের গড়ে ওঠা ১১৭ রানের কার্যকর জুটিটি টেস্টে এই উইকেটে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের ১৪৪ রানের জুটিটি এখনও এই উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ধরে রেখেছে। ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংসের চেয়ে বাংলাদেশ এখনও ২৫ রানে পিছিয়ে থাকলেও, হৃদয়ের এই অবিচল ইনিংসে ম্যাচে দারুণভাবে টিকে থেকে লিডের স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...