ছবিতে : বক্তব্যরত অবস্থায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৪১৭-নং মিলনায়তন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে সহকারী রেজিস্ট্রার এনামুল হক এবং ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া আহমেদ তন্বীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর জীবন, আদর্শ এবং কর্মক্ষেত্রে তার অবদান সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, 'জাফরুল্লাহ্ স্যার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। তার স্বপ্ন আমাদের মাঝে ব্যাপ্ত আছে৷ তার স্বপ্ন নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।'
সংশপ্তকের স্মৃতিচারণ করে সেন্টার ফর মাল্টি ডিসিপ্লিনারি রিসার্চের প্রধাণ ডা: মো: তারিকুল ইসলাম বলেন, 'তিনি সকলকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তা ধারণ করতেন। তিনি যা শিখেছেন তা কাজ করতে করতেই শিখেছেন৷ যখন কেউ এগুলো চিন্তাও করেনি সেখান থেকেই তার কাজের শুরু। উনি প্রতিটি অপ্রতিষ্ঠিত বিষয়কে নিয়েই কাজ শুরু করেছেন যা পরবর্তীতে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে।'
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, 'ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন একাধারে একজন সমাজসেবক, দেশপ্রেমিক, শিক্ষানুরাগী। তার সাথে যতটুকু ঘনিষ্ঠ ভাবে মেশার সুযোগ হয়েছে তাতে তাকে বিভিন্ন ভাবেই বিশেষায়িত করার সুযোগ আছে। উনার প্রতিভা-জ্ঞান ছিলো বহুমুখী। তার জ্ঞানের পরিধি অপরিসীম। তিনি বাস্তবিক ভাবেই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেছেন। যার ফলেই এই বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল।'
এসময় অনুষ্ঠানে ডা: জাফরউল্লাহ্ চৌধুরী আর্কাইভসের প্রধান অধ্যাপক মনসুর মুসা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকমণ্ডলী, ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ডা: জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী কোয়েপাড়া গ্রামে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাণপুরুষ ও গরীবের ডাক্তার হিসেবে খ্যাত।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...