বিজ্ঞাপন
রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা শহরের কান্দিপাড়া এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা নানা স্লোগানে হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ও দলীয়ভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান।
সমাবেশে নিহত সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী ফারজানা আক্তার তৃণা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আজও আমরা ন্যায়বিচারের আশায় পথে নেমেছি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। আর কোনো কালক্ষেপণ নয়,খুনির ফাঁসি চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা দাবি জানান।
জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বলেন, দলীয় পরিচয়ের আড়ালে কেউ যদি খুনের মতো জঘন্য অপরাধ করে, তার দায় দল নেবে না। অবিলম্বে দীলিপকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে এবং আইন অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
জেলা ট্রাক শ্রমিক মালিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত ভোজন বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ব্যবহৃত অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করে তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশে রুবেলসহ অন্যান্য বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরও প্রধান আসামির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। আমরা অতি দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা না নিলে থানা ঘেড়াও করার হুঁশিয়ারি দেন। তারা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশ থেকে বক্তারা দেলোয়ার হোসেন দীলিপের বিচার ও ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে সাত দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে লাগাতার ও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...