বিজ্ঞাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হলে তাঁকে দ্রুত ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফেরদৌস আরা বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের একজন দক্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, গত সোমবার অসুস্থ বোধ করলে তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকা যান এবং মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। মাত্র কয়েক দিনের দায়িত্বকালেই তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার মাধ্যমে সহকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করেছিলেন।
পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর জেলায় হলেও ফেরদৌস আরার জন্ম ঢাকায়। তাঁর স্বামী পেশায় একজন শিক্ষক এবং তিনি এক কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, জানাজা শেষে মরহুমার মরদেহ তাঁর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দাফন করা হবে।
একজন মেধাবী, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার অকাল প্রয়াণে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...