বিজ্ঞাপন
সড়কটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। সড়কের একপাশে রয়েছে জেলা জজ কোর্ট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, জেলা জজের বাসভবন এবং গোপালগঞ্জ জেলার প্রধান ডাকঘর। অপর পাশে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, পৌরসভা জামে মসজিদ ও পৌর কমিউনিটি সেন্টার। এছাড়া সড়কের দুই পাশে কয়েকশ ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাজে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়কটি ব্যবহার করতে বাধ্য হন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে কঙ্কালসার অবস্থা ধারণ করেছে। ভাঙা রাস্তায় চলতে গিয়ে রিকশা, ইজিবাইক ও প্রাইভেটকার প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ছে। তবে সাধারণ পথচারীদের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ধুলোবালি’। ভাঙা রাস্তা থেকে ওড়া অত্যধিক ধুলোর কারণে পথচলা দায় হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, ধুলার কারণে তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসা সম্ভব হচ্ছে না এবং বসতবাড়ির আসবাবপত্র নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, ধুলোবালির কারণে শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি ও ফুসফুসের নানাবিধ রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও আদালতগামী সাধারণ মানুষ নাস্তানাবুদ হচ্ছেন। ধুলার হাত থেকে বাঁচতে অধিকাংশ পথচারীকে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করতে দেখা গেলেও তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রীদের মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—"এই অসহনীয় ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে কবে?" স্থানীয়রা দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করে ধুলোমুক্ত ও নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
পৌরসভা বা সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির আধুনিকায়নে কবে নাগাদ পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...