বিজ্ঞাপন
শাহনাজ পারভিনের বিরুদ্ধে ওঠা এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলে তাকে সরাসরি পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক ও অনুসন্ধানকারী দলের আগমনের সংবাদ পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি করে ছুটির দরখাস্ত জমা দিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন এবং শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ অলিআর রহমানের সাথে কথা বলতে তাকেও বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি উপজেলা পর্যায়ে অফিশিয়াল কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। তবে শাহনাজ পারভিনের শিক্ষাগত সনদের বৈধতা বা অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো সুস্পষ্ট মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দীর্ঘদিন ধরে একজন শিক্ষিকা কীভাবে ভুয়া সনদে শিক্ষকতা চালিয়ে আসছেন, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগ বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...