বিজ্ঞাপন
আবু হুসাইন তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লিখেছেন: “আজ আমাদের ৪৬তম বিবাহ বার্ষিকী। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ আমাদের সহধর্মিণী নাজমা হোসেন টোকেন আমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে। আমি তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমি দুঃখিত ও মর্মাহত। আমাদের জন্য আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।”
একই পোস্টে তিনি তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ হিসেবে সরাসরি অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক মওলাদাদ চৌধুরীর ভুল চিকিৎসার কারণেই তিনি অকালে তাঁর সহধর্মিণীকে হারিয়েছেন। আক্ষেপ করে এই মুক্তিযোদ্ধা লিখেছেন, “আজ পর্যন্ত তার কোনো শাস্তি হলো না। দেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে ওই ভুল চিকিৎসার জন্য মওলাদাদ চৌধুরীর শাস্তি হতো।”
আবু হুসাইনের এই পোস্টটি সাধারণ ব্যবহারকারী ও তাঁর ফলোয়ারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাঁর এই সাহসী প্রতিবাদের প্রশংসা করছেন। সচেতন মহলের মতে, যদি চিকিৎসকের গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসার সঠিক বিচার হতো, তবে চিকিৎসা খাতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু কমে আসত।
একদিকে স্ত্রীর প্রতি অসীম ভালোবাসা এবং অন্যদিকে বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই পোস্টটিকে। যদি এমন ট্র্যাজেডি না ঘটত, তবে আজ এই মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির ঘর আনন্দ ও নাতি-নাতনিদের হাসিতে মুখরিত থাকত। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী চিকিৎসকের বিচার হলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো পরিবারকে এভাবে মা কিংবা স্ত্রী হারিয়ে নিঃস্ব হতে হতো না—এমনটাই মনে করছেন আবু হুসাইনের শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
প্রতিবেদক- কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...