বিজ্ঞাপন
সোমবার ১৯ জানুয়ারি দুপুর ১ টায় গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী লিটন শিকদার দৈনিক করতোয়া পত্রিকার কাশিয়ানী উপজেলা প্রতিনিধি এবং কাশিয়ানী সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লিটন শিকদার জানান, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বালিয়াডাঙ্গা ৪১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য হালনাগাদের কথা বলে তাকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। তিনি সেখানে উপস্থিত হওয়া মাত্রই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম কুমার সরকার এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. চঞ্চল শেখ তার সাথে অত্যন্ত অশালীন ও অপমানজনক আচরণ শুরু করেন।
সাংবাদিক লিটন শিকদার দাবি করেন, ঘটনাটি ছিল পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আগে থেকেই সেখানে প্রায় ২৫ জন প্রধান ও সহকারী শিক্ষককে জড়ো করা হয়েছিল। শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এবং তাদের উস্কানিতে উপস্থিত শিক্ষকদের সামনে তাকে চরমভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান শিক্ষা কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মানোন্নয়নের পরিবর্তে ভীতি ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা জেঁকে বসেছে। শিক্ষকদের জিম্মি করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার এই ঘটনাকে তিনি রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নৈতিকতার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ২০১৮ এবং সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ (মত প্রকাশের স্বাধীনতা) লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কাশিয়ানী সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে। একই সাথে অভিযুক্ত দুই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...