বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা গেছে, মানিক বিশ্বাসের প্রকৃত কর্মস্থল ১২০ নং ওড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তবে কোনো প্রকার ডেপুটেশনের (প্রেষণ) লিখিত আদেশ ছাড়াই তিনি বর্তমানে ৪৪ নং ওড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।
এ বিষয়ে ১২০ নং ওড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মমতা ঠাকুরের কাছে প্রেষণের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। তিনি দাবি করেন, এনামুল হক নামক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতেই এই ডেপুটেশন কার্যকর রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে এনামুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি একাধিকবার কল বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি থানা সদরে এসে কথা বলার পরামর্শ দেন। এদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষক মানিক বিশ্বাস তাঁর নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও এনামুল হক তাঁকে ধমক দিয়ে ৪৪ নং ওড়াকান্দি বিদ্যালয়েই কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জোসনা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, "জেলা শিক্ষা অফিসারের লিখিত আদেশ ব্যতীত কোনো শিক্ষকের ডেপুটেশনে যাওয়ার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে এবং নিয়ম বহির্ভূত কাজের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরণের প্রশাসনিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন অভিভাবক মহল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...