বিজ্ঞাপন
স্কুলের সার্বিক অবস্থা ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র শিকদারের পরিবর্তে অফিস সহকারীই প্রায় সব তথ্য উপস্থাপন করেন। এতে করে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে গাইড ব্যবসায়ীরা অবাধে চলাফেরা করছেন এবং প্রত্যেক শিক্ষককে গাইড বই সরবরাহ করছেন, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপন্থী। আরও অভিযোগ রয়েছে—প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষের অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও নিয়ম বহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র শিকদারের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি গাইড বই বিতরণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “গাইডগুলো শিক্ষকরা উপহার হিসেবে পাচ্ছেন।” তবে ভর্তি অনিয়ম ও মাঠসংক্রান্ত অভিযোগ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।
এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্বর্ণকলি স্কুলের সার্বিক বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...