বিজ্ঞাপন
সিইসি বলেন, “আগে তো আপনারা টেলিভিশনে অনেক কুকুর দেখিয়েছেন, মাঠ খালি দেখিয়েছেন। আজ কেন্দ্রের ধারের কাছে কুকুর দেখছি না। আজ কুকুর খুঁজে পাবেন না—এখন সব মানুষ আর মানুষ।”
নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা ফিরে আসবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা এরই মধ্যে ফিরে এসেছে। তা না হলে এত লোক আসত না। দলগুলো মুখে যা-ই বলুক, আস্থা রেখেছে বলেই আপনারা এতগুলো ক্যামেরা নিয়ে হাজির হয়েছেন।”
দেশের বিভিন্ন এলাকার ভোট পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “আমি টেলিভিশনে পঞ্চগড়সহ অনেক জায়গার পরিস্থিতি দেখেছি। কুয়াশার মধ্যেও নারীরা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের যুব সমাজ ও নারীরা আমাদের শক্তিতে রূপান্তর হবে ইনশাল্লাহ।”
ঈদের মতো ভোটের আমেজ চলছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার ওয়াদা করেছিলাম। সারা দেশে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হচ্ছে। বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে। ইসি কারও পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। এ দেশে পাতানো নির্বাচন বা কেন্দ্র দখল হবে না—এ ধারণা ভুলে যেতে হবে।”
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা সত্য তথ্য তুলে ধরবেন। অনেকে ভিন্ন উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ায়। শেয়ার করার আগে সত্য-মিথ্যা যাচাই করবেন।”
নির্বাচন নিয়ে গুজব ও অপতথ্য প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “এআই জেনারেটেড কন্টেন্ট আমাদের জন্য এক নম্বর থ্রেট। আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি, তবুও পুরোপুরি মোকাবিলা করা যাচ্ছে না। অপতথ্যের বড় একটি অংশ দেশের বাইরে থেকে ছড়ানো হচ্ছে। সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষ বুঝে গেছে সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া আমাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। ভোটকেন্দ্রে নারীদের উপস্থিতি দেখে আমি আনন্দিত।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...