বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বড়উঠান ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কাঁঠাল মুড়া এলাকায় শাহ আলমের নিজ জায়গায় বাউন্ডারি নির্মাণের কাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আবদুন নুর, ইশতিয়াক হোসেন, ফজলুল কাদের, সাজিয়া বেগম ও নুরুল আলমসহ একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, নিজেদের জায়গার ওপর দিয়েই প্রতিপক্ষকে চলাচলের সুযোগ রেখে তাঁরা দেয়াল নির্মাণ করছিলেন। হামলার সময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে ঢুকে নতুন গৃহবধূর ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকা লুট করে। এছাড়া ঘরবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে, যাতে আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী কলছুমা আক্তার জানান, দেয়াল নির্মাণের সময় প্রতিপক্ষ প্রথমে আগে দেওয়া টিনশেড বাউন্ডারি ভেঙে ফেলে এবং পরবর্তীতে অতর্কিত হামলা ও লুটপাট চালায়। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সাজিয়া বেগম বাউন্ডারি কেটে নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কর্ণফুলী থানার এসআই মিজান জানান, হামলাটি ছিল অনেকটা 'ডাকাতির স্টাইলে'। তিনি বলেন, "জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু ঘরবাড়ি কুপিয়ে ভাঙচুর করা আইনত দণ্ডনীয়। নির্বাচনের আগে দুই পক্ষকেই কাজ বন্ধ রাখতে বলা হলেও কেউ তা মানেনি।" ঢালাই কাজ চলাকালীন এই অতর্কিত হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দোষীদের বিচার দাবিতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...