Logo Logo

দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি থাকবেন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে


Splash Image

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ফাইল ছবি

দীর্ঘ ২৪ বছর পর আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মসনদে ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকারের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


বিজ্ঞাপন


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই রাজকীয় আয়োজনে ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

গত বৃহস্পতিবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি এবং জোটগতভাবে ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। এ ছাড়া নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার উচ্চপদস্থ মন্ত্রীরা এই আয়োজনে অংশ নেবেন। যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে, যিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

এর আগে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সরকারের কর্মকাল ও নতুন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বিদায়ী সরকার ও নতুন নির্বাচিত সরকারের এই সমন্বয়কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

শপথ গ্রহণের জন্য সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা স্থানটি বিএনপির পক্ষ থেকেই নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী এই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিশিষ্ট সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিশেষ সম্মেলনে ব্যস্ত থাকায় তার পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্রসচিব ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...