বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এমএইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুইজনে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত কিশোর শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে সোমবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে এখানে আনা হয়, যাদের মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানীকে (৪০) জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেছিলেন। তার শরীরের ১০০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন বাকি ৭ জনের অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেন ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, সামির ও আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং ফারহান আহমেদ আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অধিকাংশের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের জীবন নিয়ে শঙ্কা কাটছে না।
উল্লেখ্য, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমে ছিল এবং ভোরে সুইচ টিপতেই তা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রামে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকায় পাঠানো হয়।
দগ্ধ ও হতাহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বা নিকটাত্মীয়। তারা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার দুই সন্তান শাওন (মৃত) ও আইমান স্নিগ্ধা (৯); শাখাওয়াতের ভাই মো. শিপন (৩১); এবং স্বজন সামির আহমেদ সুমন (৪০), তার স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) ও দুই সন্তান ফারহান আহমেদ আনাস (৬) ও আয়েশা আক্তার (৪)। এই ঘটনায় শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানীর মৃত্যু হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...