বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ সেনা দিবস পালন করছি। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা এখানে এসে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা আত্মোৎসর্গ করেছেন, তারা জাতির হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন। পিলখানার এই ঘটনা কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম একটি নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড।
তিনি উল্লেখ করেন, এই হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য উদ্ঘাটনে তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তার ফলাফল আজও আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় একটি জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তবে তৎকালীন সরকার সেই রিপোর্টের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা স্পষ্ট করে বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করব না। কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অত্যন্ত যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়েই কমিশন গঠন করেছিল। ওই কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে এবং বর্তমানে যেসব মামলা বিচারাধীন রয়েছে, সেই জুডিশিয়াল প্রসেস বা বিচারিক প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি আশ্বস্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার এমনভাবে করা হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের জঘন্য ঘটনা ঘটানোর সাহস কেউ না পায়।
তিনি মন্তব্য করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি গভীর অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তারাই এমন ন্যক্কারজনক কাজ করতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...