Logo Logo

ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য ছাত্রশিবিরকে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান ডা. শফিকুর রহমানের


Splash Image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী দিনে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবিরের জনশক্তিকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তৃণমূল থেকে শুরু করে বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা অর্জনে নেতাকর্মীদের গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ-২০২৬-এর দিনব্যাপী প্রথম সাধারণ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিজয়ের ধারাবাহিকতায় নৈতিকতার ঘাটতি দেখা দেওয়ার একটি আশঙ্কা থাকে। ছাত্রশিবিরের মূল শক্তিই হলো নৈতিকতা, তাই এই প্রশ্নে কোনো প্রকার আপস করা চলবে না। বিশেষ করে নামাজের মতো বুনিয়াদি ইবাদতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নৈতিক সৌন্দর্য যখন অন্যকে আকৃষ্ট করবে, তখন পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাদের বিজয় রুখতে পারবে না।

অধিবেশনটি সকাল ৮টায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিমের দারসুল কুরআনের মাধ্যমে শুরু হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শহীদ মো. রেজবুন হক (প্লাবন)-এর পিতা মো. আজাদুল ইসলাম। উদ্বোধনী বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনের পথে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্যদের নিজেদের আত্মতত্ত্বাবধান নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী দিনের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধির মাধ্যমে জনশক্তিদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ সময় তিনি জনশক্তির চারিত্রিক পবিত্রতা ও আদর্শিক দৃঢ়তা সংরক্ষণে নিবিড় তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী এই অধিবেশনে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, নতুনদের শপথ গ্রহণ এবং ২০২৬ সালের বার্ষিক পরিকল্পনা পেশ ও অনুমোদন করা হয়। এ ছাড়া সেক্রেটারিয়েট গঠন এবং অঞ্চল পরিচালক নির্ধারণের পাশাপাশি বিদায়ী সদস্যদের বক্তব্য ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অধিবেশন শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি), ড. রেজাউল করিম এবং জাহিদুল ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...