বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, উপজেলার একটি ফসলি জমি থেকে মাটি দস্যুরা অবৈধভাবে মাটি কাটছিল। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত এক্সেভেটর (ভেকু) ফেলে রেখে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
অভিযান চলাকালীন চাটখিল-বদলকোট সড়কে মাটিবাহী একটি ট্রাককে থামানোর সংকেত দেয় প্রশাসন। তবে চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজে ট্রাকটির পিছু নেন।
প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্বাসরুদ্ধকর ধাওয়া শেষে ট্রাকটি আটক করতে সক্ষম হয় উপজেলা প্রশাসন। তবে ট্রাকটি থামিয়ে চালক অন্ধকারে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে অবৈধ মাটি বহনের দায়ে ট্রাকটি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত ট্রাকটি স্থানীয় প্রভাবশালী মাটি দস্যু খোরশেদের মালিকানাধীন। সে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে কৃষিজমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে আসছিল।
চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান এ বিষয়ে জানান, কৃষিজমি রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এই ধরনের জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
বর্তমানে জব্দকৃত ট্রাকটি প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত খোরশেদসহ অন্যদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিবেদক- মোঃ হাসান, চাটখিল, নোয়াখালী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...