বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মহিপুর থানার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব ডালবুগঞ্জ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহত রাসেল বর্তমানে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত রাসেলের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে কয়েক বছর আগের একটি পুরোনো শত্রুতা। তিনি জানান, ২০২০ সালের এক রাতে তার চাচাতো ভাই শামীম মৃধার স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন এবং সেই প্রেমিককে মারধর করেন। সেই ঘটনার পর থেকেই শামীম ও তার পরিবারের সদস্যরা রাসেলের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাসেল বলেন, শুক্রবার রাতে তিনি বন্ধু বেল্লালকে নিয়ে স্থানীয় আলহেরা জামে মসজিদ থেকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে চাচাতো ভাই শামীম মৃধার সঙ্গে দেখা হলে তিনি গালমন্দ শুরু করেন। একপর্যায়ে শামীমের ডাকে তার ভাই রুবেল, ছেলে সৌরভ ও ভাতিজা রাফি ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাসেলকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তবে অভিযুক্ত শামীম মৃধা ও রুবেল মৃধা মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন দাবি করেছেন। তাদের মতে, মসজিদের ইমাম পরিবর্তন করা নিয়ে রাসেলের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো ইমামকে রাসেল বাদ দিতে চাইলেও তারা তাকে রাখার পক্ষে। এই নিয়ে রাতে সামান্য তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়েছে মাত্র। রাসেল এখন পুরোনো ও ব্যক্তিগত বিষয় টেনে এনে তাদের মানহানি করার চেষ্টা করছেন বলে তারা দাবি করেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...