বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ মার্চ) সকালে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের গোলেরপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে রুমানা আক্তার তার বাবার বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার স্বামী রাজমিস্ত্রীর কাজ শেষ করে তাকে নিয়ে যাবেন বলে জানান। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমানা ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তার শাশুড়ি ঘরের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত রুমানা আক্তারের বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী ধূলাসার ইউনিয়নে। তার বাবার নাম মন্নান হাওলাদার। খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...