বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে নিহতের স্বজনরা তার মরদেহ থানায় নিয়ে আসলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
নিহত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা ছিলেন এবং ঢাকায় বসবাস করতেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদল কার্যালয়ে মারধরের এই ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করেছিলেন ইদ্রিস। এতে জহিরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হন। সম্প্রতি ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসলে গত বৃহস্পতিবার পাখিমারা বাজার থেকে জহির ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে নিয়ে যুবদল কার্যালয়ে আটকে রেখে ব্যাপক মারধর করেন।
মারধরের ফলে ইদ্রিসের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়েছিল। তবে গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা ও প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিলেন, কিন্তু তাকে বা তার সহযোগীদের কেউ মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...