বিজ্ঞাপন
ইতিমধ্যেই স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. কে. এম বাবর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফুজ্জামান এবং পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ ওড়াকান্দি ঠাকুর পরিবারের সদস্য ও মতুয়া ভক্তদের সাথে প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা করেছেন। তারা শ্রীধাম ওড়াকান্দি পরিদর্শন করে প্রস্তুতির সার্বিক তদারকিও সম্পন্ন করেছেন।
নিপীড়িত ও অবহেলিত মানুষের মুক্তির দূত শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর বাংলা ১২১৮ সালের ফাল্গুন মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে কাশিয়ানী উপজেলার সাফলীডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৬৬ বছর বয়সে ১২৮৪ সালে একই তিথিতে তিনি পরলোকগমন করেন। তার অলৌকিকত্ব ও লীলার জন্য ওড়াকান্দি গ্রামটি বিশ্বজুড়ে মতুয়া ভক্তদের কাছে একটি পবিত্র পীঠস্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
হরিচাঁদ ঠাকুরের ষষ্ঠ পুরুষ মতুয়াচার্য সুব্রত ঠাকুর জানান, ওড়াকান্দি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান। প্রতিবছর এই স্নানোৎসবে দেশ-বিদেশের প্রায় ১৫ লাখ পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে। এ বছরও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উৎসব সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা উৎসব সফল করতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে. এম বাবর বলেন, স্নানোৎসব ও মহাবারুণীর মেলা সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। উৎসবের পরিবেশে কেউ বিঘ্ন সৃষ্টি করলে বা কোনো প্রকার অনিয়মে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, তিন দিনের এই মেলা ও স্নানোৎসব নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার থাকবে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শ্রীধাম ওড়াকান্দি সফর করার পর থেকে এই পবিত্র স্থানের পরিচিতি আন্তর্জাতিকভাবে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...