ঠেলাগাড়ি চালক আব্দুল হামিদ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মো. সাদিকুর মিয়া।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের তেরানগর ব্রিজের দক্ষিণ পাশে সড়কের পাশ থেকে আব্দুল হামিদ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
নিহত আব্দুল হামিদ মিয়া (৪৮) জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া গ্রামের আয়ান উল্লাহর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঠেলাগাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার এই আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।
মামলা দায়েরের পর জামালগঞ্জ থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মো. সাদিকুর মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সাদিকুর জামালগঞ্জ উপজেলার নয়াহালট গ্রামের আব্দুল অজুদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদিকুর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। এটি একটি রহস্যঘেরা হত্যাকাণ্ড হলেও পুলিশের নিবিড় তদন্তে আসামিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জামালগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...