বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর একটি হোটেলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে, আমরা কোনো সুনির্দিষ্ট দলের বিজয় নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই কাঙ্ক্ষিত বিজয় আজও অর্জিত হয়নি।’ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনের ফলাফল জনগণের কাছে স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এর বিচার শেষ পর্যন্ত জনতার আদালতেই হবে।
সংসদের পদমর্যাদা বা সুযোগ-সুবিধার চেয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করাকেই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। বিরোধীদলীয় নেতা দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘জনগণের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। কোনো সস্তা সুযোগ-সুবিধা বা প্রলোভন আমাদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।’
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্মের সাহসিকতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, যুবসমাজ আজ স্বজনপ্রীতি ও ব্যক্তিপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশে প্রকৃত সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জামায়াত সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাবে। রাজনীতি থেকে ‘প্রতিহিংসার বিষ’ এবং ‘দুর্নীতির ক্যানসার’ দূর করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, এটি সম্ভব না হলে জাতির সামনে আরও কঠিন সময় আসতে পারে।
ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান, সংসদের ভেতরে তাঁরা সবসময়ই সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকবেন। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তিনি হুশিয়ারি দেন যে, জনগণের অধিকার হরণের যেকোনো চেষ্টায় তীব্র প্রতিবাদ ও প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ইফতার মাহফিলে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য প্রদান করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...