বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার বিবিরচর গ্রামের মোঃ ফারহান উদ্দিনের ছেলে সজিবকে ১০ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন কিশোর। পরে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
সজিবের বাবা ফারহান উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের নেতা হিসেবে পরিচিত রাহাতসহ আরও ৫–৬ জন মিলে তার ছেলের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালায়। তিনি দাবি করেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, একটি মোবাইল ফোন নিয়ে কয়েকদিন ধরে সজিব ও রাহাতের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে একই এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে রাহাতসহ কয়েকজন সজিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নকলা উপজেলার পাইস্কা বাইপাস এলাকায় যায়। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পাইস্কা ব্রিজের নিচে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে সজিবকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পরদিন শেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার নাজরিন আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় নকলা থানা পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ১১ মার্চ রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত কিশোরের অবস্থা সংকটাপন্ন। অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা কিশোর গ্যাং দমনে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...