বিজ্ঞাপন
শনিবার(১৪ মার্চ ) জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, বাজার, আবাসিক অঞ্চল ও সড়কপথে একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এদিন সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযানের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। কর্মসূচির সার্বিক বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক (উপসচিব) শরিফুল ইসলাম।
এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত করণীয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভা শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখেন এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেন, তাহলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভা নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এই কার্যক্রম সফল করতে হলে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে । বাসিন্দারা যেন নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, ফুলের টব, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা, এসি বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা এবং দিনে-রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করার জন্য।
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রোধে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি জমে থাকা পানিতে জন্ম নেওয়া মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়েও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...