প্রতীকী ছবি।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, সোমবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে চেয়ারম্যান ও পিআইওর মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে উপজেলার বাদুরতলা এলাকায় টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার একটি রাস্তার কাজ বাস্তবায়ন করেছেন সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সগির আলম। প্রকল্পের বিপরীতে ১ লাখ টাকার একটি পে-অর্ডার জামানত হিসেবে জমা রাখা হয়। কাজ শেষ হওয়ার পর সেই পে-অর্ডার ফেরত চাইতে গেলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।
সগির আলম অভিযোগ করেন, তিনি সরকারি নিয়ম মেনে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু পিআইও রুনু বেগম তার কাছে ১০ শতাংশ ঘুষ দাবি করেন। তিনি ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পে-অর্ডার আটকে রাখা হয়েছে। অফিসে গিয়ে পে-অর্ডার ফেরত চাইলে পিআইওর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটিও হয়েছে। এক পর্যায়ে পিআইও কোনো জবাব না দিয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ৩ নং সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আল আমিন বলেন, পিআইও রুনু বেগম দায়িত্বে আসার পর থেকে তার আচরণ ও কার্যক্রম নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা কোনো বিষয়ে জানতে গেলে সন্তোষজনক সহযোগিতা বা পরামর্শ পাওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের একটি পে-অর্ডার সংক্রান্ত বিষয়েও পিআইও বিভিন্ন অজুহাত দেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম। তিনি বলেন, সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সগির আলম ঠিকমতো কাজ করেন না এবং ত্রুটি থাকে। কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ না হওয়ায় পে-অর্ডার দেওয়া হয়নি। ১০ শতাংশ ঘুষ দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তিনি আরো বলেন, "আমি সঠিকভাবে কাজ করতে বলায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।"
এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...