Logo Logo

পঞ্চগড় সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় গরু আটক


Splash Image

উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে চোরাচালান প্রতিরোধে জোরদার অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় গরু আটক করেছে নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)।


বিজ্ঞাপন


সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ সাফল্য অর্জন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের অধীনস্থ নীলফামারী ব্যাটালিয়ন দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার কাহারপাড়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র সক্রিয় থাকার তথ্য পায় সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৮টা ২৫ মিনিটে মাগুরমারী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। সুবেদার মোঃ সেলিম মৃধার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সীমান্ত পিলার ৭৪২/১৮-এস থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাহারপাড়া এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে ৪টি ভারতীয় ষাঁড় গরু মালিকবিহীন অবস্থায় আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা গরুগুলো ফেলে পালিয়ে যায়।

আটককৃত গরুগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ সিজার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

এ বিষয়ে নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নিয়মিত ও বিশেষ টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, মাদকদ্রব্যসহ সব ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার রোধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই গরু ও বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পঞ্চগড় সীমান্তে সংঘবদ্ধ চক্রের তৎপরতা প্রায়ই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবির ধারাবাহিক অভিযানে চোরাচালান কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান রোধে বিজিবির এমন অভিযান স্থানীয় জনগণের মাঝেও স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে বলে মত দিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান অব্যাহত থাকলে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান আরও কমে আসবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...