Logo Logo

এসপি বরাবর লিখিত অভিযোগ

ফরিদপুরে ওসির সামনেই এক ছাত্রকে পেটালো ছাত্রদল নেতা


Splash Image

ভুক্তভোগী কলেজছাত্র জনি বিশ্বাস।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) খাস কামরায় তাঁর উপস্থিতিতেই এক কলেজ ছাত্রের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে।


বিজ্ঞাপন


থানা থেকে বের হওয়ার পর ওই ছাত্রকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ওসির বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফরিদপুর পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী জনি বিশ্বাস (২৫) সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ছাত্র। অভিযোগপত্রে তিনি জানান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিজান (৩৫), নিশাত (৩০) এবং অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জন তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি কোতোয়ালি থানার ওসির শরণাপন্ন হন।

লিখিত অভিযোগে জনি উল্লেখ করেন, গত ১৮ মার্চ রাত ৯টার দিকে ওসি উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে শুনানি করেন। শুনানি চলাকালে জনি যখন বিবাদী সিজানের নাম উল্লেখ করেন, তখনই সিজান তাঁর ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন। জনি এর প্রতিবাদ করলে ওসি বিবাদীকে থামানোর পরিবর্তে উল্টো জনির ওপর চড়াও হন এবং বকাঝকা করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ আখ্যা দিয়ে জনিকে থানা থেকে চলে যেতে বলেন ওসি।

জনি বিশ্বাসের দাবি, থানা থেকে বের হওয়ার পরপরই রাত ৯টা ২০ মিনিটে গেটের বাইরে সিজান ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এক পর্যায়ে ১নং বিবাদী পকেট থেকে চাকু বের করে কোপ দিতে গেলে জনি জীবন বাঁচাতে পুনরায় থানার ভেতরে আশ্রয় নেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার দুই-তিন ঘণ্টা পর ওসি থানায় ফিরে এসে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে বরং নিজের রুমে বসিয়ে তাঁদের সাথে চা পান করেন। ওসির এমন পক্ষপাতমূলক ও বিতর্কিত আচরণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।

হামলাকারীরা যেকোনো সময় তাঁকে খুন বা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে জনি বিশ্বাস ফরিদপুর পুলিশ সুপার বরাবর এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...