বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, যারা কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছেন, তাদের অধিকাংশই সপরিবারে আসছেন। তবে কেউ কেউ পরিবার গ্রামে রেখে একাই ফিরছেন।
কক্সবাজার থেকে ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’-এ আসা যাত্রী আজিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার থেকে অফিস শুরু হবে। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো আর ভিড় এড়াতে একদিন আগেই পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। আগেভাগেই ফেরায় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ না থাকায় অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
তবে ফেরার পথে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো যাত্রার সময় ট্রেনগুলো সময়মতো ছাড়লেও ফিরতি পথে প্রায় প্রতিটি ট্রেনই এক থেকে দুই ঘণ্টা দেরি করছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, প্রারম্ভিক স্টেশন থেকেই ট্রেনগুলো ছাড়তে বিলম্ব করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ দেরিতে আসায় এই ট্রেনে করে পুনরায় কক্সবাজার যাওয়ার জন্য যাত্রীদের দুই ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করতে হয়েছে।
শিডিউল বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতেও। সকালে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ‘তূর্ণা এক্সপ্রেস’ ছাড়ার কথা থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যায়নি। এছাড়া কিশোরগঞ্জগামী ‘এগারোসিন্ধু’ এবং দেওয়ানগঞ্জগামী ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’ এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্বে কমলাপুর ছেড়েছে। এই বিলম্বের কারণে স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ থেকে ঈদের লম্বা ছুটিতে রাজধানী ফাঁকা হতে শুরু করেছিল। ৭ দিনের ছুটি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে সব সরকারি অফিস-আদালত খুলছে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে আবারও চিরচেনা ব্যস্ততায় ফিরছে মানুষ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...