ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৫ মার্চ) বিশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার পর মূলত তিনটি প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু অধ্যাদেশ বর্তমান কাঠামোতেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করে পাস করিয়ে নেবে। আবার কিছু অধ্যাদেশের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও সংশোধনী সাপেক্ষে বিল হিসেবে পেশ করা হবে। এছাড়া যেসব অধ্যাদেশের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে না, সেগুলো বর্তমান অধিবেশনে ‘ল্যাপস’ বা বাতিল হয়ে যাবে; তবে সরকার প্রয়োজনবোধ করলে পরবর্তী অধিবেশনে সেগুলো নতুন বিল হিসেবে পুনরায় আনতে পারবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী নতুন বিল পাসের আগে পুরনো অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, "মাননীয় সভাপতি আগামী ২৯ মার্চ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী সেশনের সময় নির্ধারণ করেছেন। আশা করি, ওইদিন সন্ধ্যার মিটিংয়ে আমরা বাকি থাকা বিষয়গুলোর চূড়ান্ত ফয়সালা করতে পারব।" জুলাই সুরক্ষা অধ্যাদেশ নিয়ে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, এটি গত বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে এবং এতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। সাংবিধানিকতা রক্ষা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিটি বিল বিবেচনা করা হচ্ছে। অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শেষ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...