বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, নিহত জামেলা বেগম (৬৫) নগরকান্দার রাধানগর এলাকায় একা বসবাস করতেন। তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় জমি বিক্রির কিছু টাকা তিনি একটি এনজিওতে এফডিআর করে রেখেছিলেন। ঘাতক ভাগ্নে আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে ওই টাকা থেকে কিছু অংশ ধার দেওয়ার জন্য খালাকে চাপ দিচ্ছিলেন। জামেলা বেগম টাকা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় চরম বিরোধ।
গত ২৭ মার্চ রাতে আলমগীর তার খালার বাড়িতেই অবস্থান করেন। গভীর রাতে আবারও টাকার দাবি তুললে খালার সাথে তার তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ আলমগীর নিজ হাতে খালা জামেলা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। প্রমাণ লোপাটের জন্য তিনি মরদেহটি পাশের একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যান।
সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে নগরকান্দা থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই এই রহস্যের জট খোলে। মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান এবং ওসি রসুল সামদানী আজাদ এই লোমহর্ষক ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যে-ই হোক তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। এলাকায় এমন নৃশংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...