বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার গোপালপুর বাজারের ‘কুটুমবাড়ি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট’ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এ ঘটনার পর থেকে রেস্টুরেন্ট মালিক ও মামলার দ্বিতীয় আসামি মজনু মোল্লা পলাতক রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃত রাকিব মোল্লা কাশিয়ানী উপজেলার পোনা গ্রামের হিরু মোল্লার ছেলে। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী এবং অভিযুক্ত রাকিব উভয়ই ওই রেস্টুরেন্টে কর্মরত ছিলেন। রাকিব দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। রাজি না হওয়ায় গত ১৪ মার্চ কক্ষ পরিষ্কার করার কথা বলে কৌশলে তাকে হোটেলের একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হোটেল মালিক মজনু মোল্লার সহযোগিতায় রাকিব ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই জঘন্য ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ২৫ মার্চ ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মজনু মোল্লা ও রাকিব মোল্লাকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার পর পুলিশ অভিযানে নামে।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামি রাকিব মোল্লাকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের শারীরিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অপর আসামি মজনু মোল্লাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...