বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক জরুরি বৈঠকে এই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ এই কর্মসূচির ডাক দেন। তারা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার বসানো, ঘনঘন হিসাব যাচাই এবং পুলিশ মোতায়েনসহ নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, সম্প্রতি বিভাগের অন্তত ছয়টি পাম্পে বড় অংকের জরিমানা আরোপ করা হয়েছে, যা ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশকে জটিল করে তুলেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্প পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এই ধর্মঘটের আওতায় পেট্রোল ও ডিজেল স্টেশনের পাশাপাশি সিএনজি এবং এলপিজি স্টেশনগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর ফলে সিলেট বিভাগজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মালিকরা জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় তারা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রশাসন চাইলে নিজেরাই পাম্প পরিচালনা করতে পারে, কিন্তু বর্তমান অবস্থায় মালিকরা আর ব্যবসা চালাতে পারছেন না।
পাম্প মালিকদের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে পরিবহন খাত ও জরুরি সেবাগুলোতে ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...