বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামি নাছের ঠাকুর আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে পুলিশি পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১২ সালে মধুখালী উপজেলার নাছের ঠাকুরের সঙ্গে একই উপজেলার দাড়িরপাড় গ্রামের স্বপ্না বেগমের (২৫) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্বপ্নার ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন নাছের। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে পুনরায় স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। ওই দিন সন্ধ্যায় নিজ বসতঘরে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে স্বপ্নাকে হত্যা করা হয়।
এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. আলী শেখ বাদী হয়ে মধুখালী থানায় নাছের ঠাকুর ও তার চার ভাইকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আব্দুর রব তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।
আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, অপরাধ করে কেউ পার পায় না। এই রায় সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...