বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কৌশলগত ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় বেনাপোল স্থলবন্দরে একটি সুউচ্চ পতাকা স্থাপনের প্রস্তাবনা জেলা প্রশাসনের কাছে উত্থাপন করেছিল বিজিবি। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বেনাপোল পৌরসভা এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে। বর্তমানে বেনাপোল পৌরসভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে পতাকা স্তম্ভ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
বেনাপোল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ও ব্যস্ততম স্থলবন্দর হওয়ায় প্রতিদিন এখান দিয়ে কয়েক হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক ও ব্যবসায়ী যাতায়াত করেন। ১৩০ ফুট উচ্চতায় এই জাতীয় পতাকা স্থাপিত হলে তা আগত পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের মর্যাদা, ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে দৃশ্যমান হবে।
এই প্রকল্প প্রসঙ্গে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মো. সাইফুল আলম খান (পিএসসি) বলেন, "স্বাধীনতার এই পতাকা আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমাদের দেশের পতাকা দেশের সর্বোচ্চ উচ্চতায় উড়বে, এর চেয়ে গর্বের আর কিছু হতে পারে না। এই গৌরবের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে বিজিবি সবসময় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।"
বেনাপোল পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পতাকা স্তম্ভটি শুধু এই অঞ্চলের নয়, বরং পুরো দেশের একটি অনন্য ল্যান্ডমার্কে পরিণত হবে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশাত্মবোধ ও জাতীয় চেতনাকে আরও জাগ্রত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...