বিজ্ঞাপন
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৯টায় শেরপুর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, নন্দীগ্রামের হাজারিকা মৌজার ১৬০৯ দাগের খাস জমি থেকে রজিব উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি প্রায় ৬০টি ইউক্যালিপটাস ও বাটুল গাছ অবৈধভাবে কেটে নিয়েছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। সরকারি সম্পদ আত্মসাতের এই ঘটনায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোহান সরকারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে ১ নং বুড়াইল ইউনিয়নের নায়েব আবুল কালাম আজাদ ও সরকারি সার্ভেয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গত ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে দাখিলকৃত সার্ভেয়ারের রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, কাটা গাছগুলোর মধ্যে ২৬টি গাছ সম্পূর্ণ সরকারি খাস জায়গার ভেতরে ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউর রহমান অভিযোগ করেন, সরকারি প্রতিবেদনে গাছগুলো খাস জায়গার বলে প্রমাণিত হলেও নায়েব আবুল কালাম আজাদ রহস্যজনকভাবে অভিযুক্তের পক্ষ নিয়েছেন। মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে তিনি সরকারি সম্পত্তি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করা হয়। প্রশাসনের এমন নীরবতায় এলাকাবাসী চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন থেকে গাছ লুটকারী রজিব উদ্দিনের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতির দায়ে নায়েব আবুল কালাম আজাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। দাবি মানা না হলে পরবর্তীতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নায়েব আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযুক্ত রজিব উদ্দিনই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। প্রশাসনিক জটিলতা থাকায় এর বেশি মন্তব্য করতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস আলী, চান মিয়া ও আশরাফ আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...