বিজ্ঞাপন
নিহত জান্নাত ওই এলাকার বিল্লাল ডাক্তারের নতুন বাড়ির মো. বেলালের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জান্নাতের বাবা ও মা উভয়েই কর্মজীবী। ঘটনার দিন তারা কর্মস্থলে থাকায় জান্নাত তার ছোট ভাইয়ের সাথে বাড়িতেই অবস্থান করছিল। বিকেলে ছোট ভাই খেলার জন্য বাইরে গেলে জান্নাত বাড়িতে একা হয়ে পড়ে।
সন্ধ্যায় জান্নাতের মা কর্মস্থল থেকে ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির আঙিনায় একটি আমগাছের ডালের সঙ্গে জান্নাতকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হোসেন জানান, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...