বিজ্ঞাপন
সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া এবারের প্রভাতি অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। প্রতিকূলতা জয় করে আত্মপরিচয় ও সাহসের সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান ফুটে উঠেছে ছায়ানটের এই আয়োজনে।
পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে মোট ২২টি পরিবেশনা দিয়ে। এর মধ্যে ১৪টি একক গান ও ৮টি সম্মিলিত গানের পাশাপাশি রয়েছে দুটি পাঠ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়সহ প্রথিতযশা কবি ও গীতিকারদের রচনার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে লোকজ সংগীত। ছায়ানটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মিলিয়ে প্রায় ২০০ শিল্পী এই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার বটমূলে বর্ষবরণের এই আয়োজন করে আসছে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। দীর্ঘ এই পথচলায় অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সংগীতের আসর নয়, বরং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতিসত্তার এক অভিন্ন উৎসবে পরিণত হয়েছে। ভয়ের সংস্কৃতি থেকে মুক্ত হয়ে সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য তুলে ধরাই এই আয়োজনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...