বিজ্ঞাপন
এদিন সকাল সাড়ে ৬টায় গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্কে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে নববর্ষের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপরই শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের সুরের মূর্ছনায় সাংস্কৃতিক পর্বের সূচনা ঘটে। জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন। উৎসবের অংশ হিসেবে শিশু একাডেমি আয়োজিত চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকাল পৌনে ৯টায় জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামানের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে ঢাক-ঢোল ও লোকজ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ নিয়ে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-০২ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার দেবনাথ। এছাড়াও প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শোভাযাত্রা শেষে অতিথিরা পৌরপার্কে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
গোপালগঞ্জ জেলা শহর ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিনভর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে নববর্ষ বরণ করেছে। সর্বত্রই ছিল আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও বাঙালিয়ানা চেতনার এক প্রাণবন্ত আবহ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...