বিজ্ঞাপন
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরুতে একটি আনন্দ র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি বিলাইছড়ি বাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য এই র্যালীটি উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালী পরবর্তী আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় জাতীয় সঙ্গীত এবং বর্ষবরণের ঐতিহ্যবাহী গান "এসো হে বৈশাখ" পরিবেশনার মাধ্যমে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম ফকির। এছাড়াও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান এবং বিলাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ঐতিহ্যবাহী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা তাদের পরিবেশনার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও হাসনাত জাহান খান পার্বত্য চট্টগ্রামের অনন্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও ব্যাপকভাবে প্রচার ও প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এশিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বিভিন্ন প্রদেশের জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিগুলো জাতীয়ভাবে চর্চা করা হয়। আমাদের দেশেও এই চর্চা রয়েছে, তবে তা আরও ব্যাপকভাবে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সকল ভাষায় আরও বেশি করে গান ও সাহিত্য রচনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে নিজস্ব সংস্কৃতি রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এই অমূল্য সংস্কৃতিকে আমরা যদি সামনে এগিয়ে নিয়ে না যাই, তবে সময়ের বিবর্তনে তা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...