Logo Logo

বিলাইছড়িতে ১০ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার সমাপ্তি, বর্ষবরণে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির মিলনমেলা


Splash Image

পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসু ও বর্ষবরণ (১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) উপলক্ষে রাঙামাটির বিলাইছড়িতে আয়োজিত দশ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার ধুপ্যাচরে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের পর্দা নামে।

ধুপ্যাচর যুব সমাজের উদ্যোগে গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে পার্বত্য অঞ্চলের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতি রক্ষায় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়। সমাপনী দিনে সন্ধ্যায় এক জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১২৬ নং বিলাইছড়ি মৌজার হেডম্যান বিমলী চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য রিতা চাকমা ও জ্যোতিময় চাকমা। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দর্শকবৃন্দকে মুগ্ধ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও হাসনাত জাহান খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে হলে নিজেদের মধ্যে বেশি বেশি চর্চা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই সংস্কৃতিকে কেবল পাহাড়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশব্যাপী ও জাতীয় পর্যায়ে আরও তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় আরও বেশি গান ও সাহিত্য রচনা করা প্রয়োজন। এভাবে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

পুরস্কার বিতরণী পর্বে বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। দীর্ঘ দশ দিনের এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...